বিএনপি মিডিয়া উইং

আজ ভয়াল ৭ ই মার্চ!!!!!! ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন সেনা-সমর্থিত
তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাত ১১টায় যৌথ
বাহিনী ক্যান্টনমেন্টের ৬ শহীদ মইনুল রোডে সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ির
সামনে অবস্থান নেয়।
এ সময় বাসার ভেতর খবর দেয়া হয়, তারা তারেক
রহমানকে নিয়ে যেতে এসেছে। যৌথ বাহিনীর পক্ষ
থেকে তাকে প্রস্তুত হওয়ার জন্য বলা হয়।
রাত ১২টা ২৭ মিনিটে তিনি নিজেই
বাসা থেকে বেরিয়ে যৌথ বাহিনীর
সঙ্গে কথা বলেন। পরে যৌথ
বাহিনী তাকে গাড়িতে তুলে ক্যান্টনমেন্ট থানায়
নিয়ে যায়।সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের
আমলে গ্রেফতারের পর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মোট
১২টি মামলা হয় এবং ১২ দফায়
রিমান্ডে নিয়ে শারীরিকভাবে ব্যাপক নির্যাতন
করে।২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর
তিনি জামিনে মুক্তি পান।
১৭ নভেম্বর, ২০১৩ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ-পাচার
মামলার রায়ে তাকে খালাস দেয়া হয় ।বিএনপির
প্রতিষ্ঠাতা ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রীবেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র
এবং বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক
রহমান তারেক রহমান একুশ শতকের বাংলাদেশের
রাজনীতিতে এক প্রতিভাবান, সৃজনশীল উদীয়মান
উজ্জ্বল নক্ষত্র এবংবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের
ভবিষ্যত কান্ডারী ।
তারেক রহমানের ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তাই তাঁর
প্রতি তথ্যসন্ত্রাস ও হিংসাত্মক আক্রমণের মূল কারণ।
১/১১কিংবা ১/১১ পরবর্তী সরকারগুলো তারেক রহমানের
রাজনীতির
ইতিবৃত্তকে সুপরিকল্পিতভাবে এবং ঠান্ডা মাথায়
স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ
হিসেবে প্রথমে সেনা সমর্থিত সরকার কর্তৃক
অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন
এবং পরবর্তীতে মিথ্যা মামলা-হামলা ও জেল-জুূলুম-
হুলিয়া দিয়ে দেশ থেকে নির্বাসন ও স্বদেশ
প্রত্যাবর্তনে বাধা দেওয়ার মধ্যে দিয়েই
ঝলসে উঠা এক রাজনীতিকের অপমৃত্যু ঘটানোর হীন
অপচেষ্টা ক্ষমতাসীনদের রুটিনকাজে পরিণত হয়েছে।
কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে তারেক রহমানের
সাথে এ দেশের মাটি ও মানুষের সম্পৃক্ততাকে ছিন্ন
করা যাবে না। দেশের সর্বস্তরের মানুষ তারেক
রহমানের আগমনের প্রতীক্ষায়। শারীরিকভাবে তার
উপস্থিতি না থাকলেও তার অস্তিত্ব অনুভব
করে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক জনতা।
রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে,
প্রতিহিংসা নয়। তারেক রহমান একটি নাম যা সময়ের
আবর্তে পরিণত হয়েছে বিশ্ব্বাসএবং আস্থায়।
তারেক রহমান তোমার প্রতীক্ষায় বাংলাদেশ ।