RannaBanna

অনেক গুলো প্রশ্ন সামনে রেখে পুষ্টি, খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্য ও সচেতনতা বিষয়ক পত্রিকা “রান্নাবান্না” উদ্যোগের সূচনা। যেমনঃ
আমাদের দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদা গুলোর মধ্যে প্রধান, প্রথম এবং অপরিহার্য হলো খাদ্য। অথচ সে বিষয় সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান বা সচেতনতা কতটুকু?
বয়স, ওজন, উচ্চতা, পেশা এবং শ্রমভেদে দৈনিক যতটুকু পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন, আমরা কি সেই অনুযায়ী পরিমিত খাবার গ্রহণ করছি?
খাদ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রন্ধন প্রণালী প্রভৃতি সম্পর্কে সঠিক ধারণার অভাবে রন্ধনকৃত খাবারের মান, স্বাদ ও সর্বোপরি পুষ্টি গুণাগুণ নষ্ট করে ফেলছি না তো?
সঠিক তথ্যের অভাবে অহেতুক বেশি ব্যয় করে অপুষ্টিকর, ভেজাল ও বিষ মিশ্রিত খাবার ঘরে তুলে আনছেন নাতো?
বর্তমানে খাদ্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রনে তৈরি ভেজাল সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণে আমরা কোনভাবে সচেতন হচ্ছি কি?
অতিযত্নে বা অত্যধিক আদরে আপনার প্রিয় শিশুটির ক্ষতি করছেন নাতো?
শিশুর সুস্থ বিকাশ ও বর্ধনের জন্য যতটুকু পুষ্টিকর খাদ্য যেভাবে খাওয়ানো প্রয়োজন, তা সঠিকভাবে পালন করছি কি?
দেহ নামক এই অবিরাম সচল যন্ত্রটির এতটুকু রক্ষণাবেক্ষণ কেউ কি আমরা করছি?
যাদের জন্য এই পৃথিবীতে আমাদের আগমন, সেই পিতামাতা, দাদা-দাদী, কিংবা নানা-নানী অর্থাৎ, পরিবারের বয়োজ্যেষ্টদের যত্ন, স্বাস্থ্য পরিচর্চা ও পুষ্টিকর খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আমাদের দায়িত্ববোধ বা সঠিক পরিকল্পনা আছে তো?
অনেক পরিশ্রম করে যে কৃষকরা আমাদের জন্য খাদ্য উৎপাদন করছে, তার ন্যায্যমূল্য কি তারা পাচ্ছে? নাকি শুধু মুনাফা লোভী মধ্যস'তাকারীদের ঘরে যাচ্ছে?
আমাদের মনের সংকীর্নতা গুলো দূর করার জন্য প্রকৃত এবং সৃষ্টির বিশালতা গুলো অবলোকন বা উপলদ্ধি করা প্রয়োজন। সেজন্য কি আমরা মাঝে মধ্যে ভ্রমণে বের হচ্ছি?

এরকম আরও অসংখ্য প্রশ্নের ঝুলি নিয়ে সকলের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে “রান্নাবান্না” পত্রিকার অগ্রযাত্রা শুরু।

একটি পরিবার, তথা সমাজের সকলের ভ্রান্ত-ধারণা দূরীকরনের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করে পুষ্টিকর আহার ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে “রান্নাবান্না” পত্রিকাটি। সামাজিক গণসচেতনতা তৈরিতে ‘রান্নাবান্না’ একটি পূর্ণাঙ্গ পথ নির্দেশক।