জেড ফোর্স - Z Force

১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুষ্টিমেয় কিছু বেঈমানের জন্যে বাংলা তার স্বাধীনতা হারালে বাংলার জনগন সে সময় থেকেই স্বাধীনতা ফিরে পাবার কিংবা আত্ম-মর্যদাশীল জাতি হিসাবে বিশ্ববুকে বেচে থাকার প্রয়াসে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক সংগ্রাম গড়ে তুলেছে।স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সর্বাধিনায়ক জেনারেল
এমএজি ওসমানী তিনটি ব্রিগেড গঠন করেছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল একটি এই জেড ফোর্স। স্বাধীনতার ঘোষক তত্কালীন মেজর জিয়া জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তার নেতৃত্বে জেড ফোর্স যে বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধ করে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাভূত করেছে, তা স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্যসাধারণ ঘটনা।
‘জেড ফোর্স’ কামালপুর, বাহাদুরাবাদ ঘাট, দেওয়ানগঞ্জ থানা, চিলমারী, হাজীপাড়া, ছোটখাল, গোয়াইনঘাট, টেংরাটিলা, গোবিন্দগঞ্জ, সালুটিকর বিমানবন্দর, ধলাই
চা-বাগান, ধামাই চা-বাগান, জকিগঞ্জ, আলি ময়দান, এমসি কলেজ, ভানুগাছ, কানাইয়ের ঘাট, বয়মপুর, ফুলতলা চা-বাগান, বড়লেখা, লাতু, সাগরনাল চা-বাগান
ইত্যাদি স্থানে পাক সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।দেশ স্বাধীন হয়। স্বাধীনতার পর দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে আত্ম-মর্যাদাশীল জাতি হিসাবে বেচে থাকার রাজনৈতিক দিক-নির্দেশনা দিয়ে গেছেন বহু-দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট বীর উত্তম জিয়াউর রহমান।কাল পরিক্রমায় আজ স্বাধীন বাংলাদেশে হায়নার ছায়া প্রতিয়মান।দেশ আজ একদলীয় বাকশালের আওয়ামী খাঁচায় বন্ধী। স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, হৃত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠাকারী, নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ও সরকারপ্রধান, সংস্কারক, শহীদ জিয়ার আদর্শ অনলাইনের প্রতিষ্ঠা করা , দেশকে আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্তি,পুনরায় গণতন্ত্র,ভোট ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা সর্বোপরি অনলাইনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে সমর্থন করা সকল কে একই প্লাটফর্ম এ নিয়ে আসার জন্যই এই গ্রুপ। যোগ দিন অনলাইনে জাতীয়তাবাদীদের প্রথম থেকে নেতৃত্ব দেয়া সর্ব বৃহৎ গ্রুপ জেড ফোর্স এ ...